চকরিয়ায় এতিমের বরাদ্দ আত্মসাৎ করতে মরিয়া সংঘবদ্ধ চক্র, হামলায় আহত ২

চকরিয়া অফিস:
এতিমের নামে বরদ্দকৃত টাকা আত্মসাৎ করতে ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে একটি সংঘবদ্ধচক্র। হামলায় এতিমখানা ও মসজিদ কমিটির সভাপতির ভাইসহ ২জন আহত হয়েছে। ৫জানুয়ারী সকাল ১১টায় চকরিয়া পৌরসভা ৯নং ওয়ার্ডের দিগরপানখালী গনিসিকদারপাড়া এলাকায় ঘটেছে এ ঘটনা।
সর্বজন শ্রদ্ধেয় হাফেজ মাওলানা বশির আহমদ বলেন, ২০১২ সনে আমি বায়তুশ শরফ মসজিদের খতিব থাকাকালে শাহ জব্বারিয়া এতিমখানা নাম নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হলে এরপর থেকে রহমানিয়া হাফেজিয়া বালক-বালিকা এতিমখানা ও হেফজখানা প্রতিষ্ঠা করি এবং সরকারী নিয়মানুযায়ী সমাজ অফিসের নির্দেশনায় নাম পরিবর্তন করে পূর্বের রেজিষ্ট্রেশন অনুযায়ী রেজিষ্ট্রিকৃত নির্ধারিত জায়গাতেই রহমানিয়া হাফেজিয়া বালক-বালিকা এতিমখানা ও হেফজখানা প্রতিষ্ঠা করা হয়। তিনি বলেন, দুইটি প্রতিষ্ঠানই আমার হাতে পরিচালিত হয়ে আসছে। বিগত ১৯৯৫সালে প্রতিষ্ঠিত এতিমখানার জন্য সমাজ সেবা অধিদপ্তর কর্তৃক ২০০৫ সালে কক্স- ২৯৪/০৫ মূলে নিবন্ধন লাভ করে এবং ২০০৭সালে প্রতিষ্ঠানটি সরকারি ক্যাপিটেশন গ্রান্ডপ্রাপ্ত হয়।
চকরিয়া পৌরসভার গণিসিকদারপাড়া জামে মসজিদ এবং হেফজখানা পরিচালনা কমিটির সভাপতি রুহুল আমিন (মেম্বার) জানান, ওই এলাকার জনৈক চাদা বশির মাহমুদ,মনছুর আলম, নাছির উদ্দিনের নেতৃত্বে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী বাহিনী এনে পুলিশের সামনেই হামলা চালিয়েছে। তিনি পুলিশের এএসআই লক্ষণসহ উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী বক্তব্য শুরু করলে অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। হামলায় তার বড় ভাই নুর মোহাম্মদ (৬৪)সহ ২জন গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনারদিন হেফজখানার শিক্ষক আবুল কাসেম ষড়যন্ত্রকারীদের সাথে আতাত করে চক্রান্ত চালানোর অপরাধে তাকে মাসিক বেতনের প্রাপ্য টাকা দিয়ে বিদায় দেয়া। ওইবিষয়কে কেন্দ্র করে ঘটনার সূত্রপাত হয়।
তিনি বলেন, মাওলানা হাফেজ বশিরের কোন দোষ নাই। তাহার দোষ হচ্ছে; মানবিক দৃষ্টিতে এতিমখানা ও হেফজখানা প্রতিষ্ঠা করে নিজের উপার্জিত অর্থ এতিমের জন্য ব্যয় করায়। অপরদিকে ওই এলাকার জনৈক চাদা বশির মাহমুদ,মনছুর আলম, নাছির উদ্দিন গং এতিমের বরাদ্দের অর্থ আত্মসাত করার জন্য পরিকল্পনা গ্রহণসহ ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক নারী নেত্রী জন্নাতুল বকেয়া রেখা ও মহিলা কাউন্সিলর আঞ্জুমানআরাসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। তারা মাননীয় সাংসদ, থানার অফিসার ইনচার্জ ও এলাকার কোন শালিসবিচারই মানেননা

বিভাগের সংবাদ।

নিউজ ডেস্ক, চকরিয়া২৪।