Skip to content

সর্বশেষ শিরোনাম
চকরিয়া গ্রামার স্কুলের ছাত্র সামী গোল্ডেন বৃত্তি পেয়েছেচকরিয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ সম্পন্নচকরিয়ায় জমি ক্রয় বিজ্ঞপ্তিচকরিয়ায় প্রতিবন্ধী সরওয়ার আলমের জমি দখলে নিতে ভাড়াটিয়ার অভিনব প্রতারণা,চকরিয়ায় বসতবাড়ি ও ক্ষড়ের গাধায় আগুন প্রাণে হত্যার চেষ্টা, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুটনোটারী পাবলিক মূলে পবিত্র ইসলাম ধর্ম গ্রহণচকরিয়ায় সীমানা বিরোধে জুমার নামাজের সময় একই পরিবারের ৩জনকে কুপিয়ে জখমপিলখানা হত্যাযজ্ঞে নিহত চকরিয়ার কৃতি সন্তান শহীদ লেঃ কর্ণেল আইয়ুব কাইছারের ১১তম শাহাদাত বার্ষিকীচকরিয়ায় চাল বোঝাই কভার্ডভ্যান উল্টে আহত ২চকরিয়ার কাকারায় প্রতারক চক্রের জালিয়াতি প্রমাণিত হওয়ায় ভূক্তভোগীদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, মামলার প্রস্তুতি

নিজের মেয়েকে ‘ভিকটিম’ সাজিয়ে অপহরণ মামলা করলো পিতা

[post-views]

mamla

মনোয়ারা সিদ্দিকা সাদিয়া (১৫) উখিয়ার মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেনীতে পড়তো। প্রায় ২ বছর ধরে স্কুলে যাওয়া আসা বন্ধ। স্কুলের হাজিরা খাতা কিংবা বালামেও সাদিয়ার নাম নেই। স্কুলের শিক্ষক, ৭ম শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীরাও ‘মনোয়ারা সিদ্দিকা সাদিয়া’ নামে কাউকে চেনে না। এমনকি কথিত ভিটকিমের পিতা মো. আলম নিজেও স্বীকার করেছে, তার মেয়ে (মনোয়ারা সিদ্দিকা সাদিয়া) গত এক বছর ধরে স্কুলে যাচ্ছে না। যার ‘ভয়েস রেকর্ড’ প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত আছে। কিন্তু গত ৩ ফেব্রুয়ারী স্কুল থেকে ফেরার পথে নিজের মেয়েকে অপহরণ করা হয়েছে উল্লেখ করে থানায় মামলা করেছে পিতা মো. আলম। গত ৭ ফেব্রুয়ারী থানায় দায়েরকৃত মামলা নং-১৩/২০২০। এ মামলায় আসামী করা হয়েছে ৮ নং হলদিয়া পালং জনাবআলী পাড়ার ধুরুমখালীর নুর নবীর ছেলে আমানত উল্লাহ (২০)। ওই মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অথচ এর আগে কথিত ভিকটিম মনোয়ারা সিদ্দিকা সাদিয়া ও আসামী আমানত উল্লাহকে থানায় আটকে রাখা হয়। যা থানার সিসি ক্যামেরায় স্পষ্ট প্রমাণ মিলবে। এ প্রসঙ্গে স্কুলের সহকারী শিক্ষক মু. জামাল উদ্দিনের জানতে চাওয়া হয়। তিনি বলেন, সাবেক রুমখাঁ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে এসে ২০১৮ সালের ৩ জানুয়ারী মনোয়ারা সিদ্দিকা সাদিয়া ষষ্ঠ শ্রেনীতে ভর্তি হয়েছিল। কিছু দিন ক্লাস করলেও সে স্কুলেই অনুপস্থিত। বালামেও তার নাম নেই। তিনি বলেন, স্কুল থেকে যাওয়ার পথে অপহরণের সংবাদ শুনে স্কুলের সব ডকুমেন্টস ঘেটে দেখলাম, মনোয়ারা সিদ্দিকা সাদিয়া ২০১৮ সালের জানুয়ারীর পর থেকে আর স্কুলে আসে নি। এমন মিথ্যা সংবাদে স্কুলের ‘বদনাম’ হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন শিক্ষক মু. জামাল উদ্দিন। মামলার বাদি মো. আলমের কাছে ঘটনার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বলেন, একটি ছেলে আমার মেয়ে সাদিয়াকে ডিস্টার্ব করায় ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারী মাস থেকে স্কুলে যাচ্ছে না। পড়ালেখা বন্ধ করে দিয়েছে। জানতে চাওয়া হয়, ‘গত ৩ ফেব্রুয়ারী স্কুল থেকে ফেরার পথে মেয়েকে অপহরণের অভিযোগে মামলার কারণ কি? জবাবে বলেন, এটি ভুল হয়েছে। এ বিষয়ে উখিয়া থানার ওসি মুহাম্মদ আবুল মনসুরের বক্তব্য জানতে চাইলে বলেন, মেয়ের পিতার অভিযোগ নিয়েছি। তদন্ত করে ঘটনা হলে সত্য, মিথ্যা হলে মিথ্যা প্রতিবেদন দেওয়া হবে

, বিভাগের সংবাদ।

নিউজ ডেস্ক, চকরিয়া২৪।

Scroll To Top