কুতুবদিয়ায় স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে শিক্ষানবিশ অাইনজীবি সন্ত্রাসী হামলার শিকার

received_1549740558521775

নিজস্ব প্রতিনিধি

কুতুবদিয়া উপজেলা প্রশাসনের স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন জাহেদুল ইসলাম নামের চট্টগ্রাম জজ কোর্টের একজন শিক্ষানবিশ অাইনজীবি। লকডাউনের কারণে জাহেদুল ইসলাম নিজ গ্রামের বাড়ি কুতুবদিয়ায় অবস্থান করছিলেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউল হক মীর এর অাহবানে সাড়া দিয়ে স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্ব পান জাহেদুল ইসলাম। করোনা সংক্রামক প্রতিরোধে লেমশীখালী ইউনিয়নের সমন্বয়ক ও ধূরং বাজারে দায়িত্ব পান তিনি। ইউএনওর নির্দেশমত তিনি একজন নিয়মিতভাবে দায়িত্ব পালন করে অাসছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি ২৩ এপ্রিল ২০২০ তারিখ ধূরং বাজারে দায়িত্বরত অবস্থায় দুপুর ২ টায় হামলার শিকার হন।
ঘটনার বিবরণে প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, মুদির দোকানদার শাহাজাহানের দোকানের বাহিরে জাহেদুল ইসলাম চেয়ারে বসা অবস্থায় লেমশীখালী কাজি পাড়ার গোলাম কুদ্দুসের পুত্রছাত্রলীগ নেতা সাজ্জাদ হোসেনের নেতৃত্ব ৬/৭ জন সন্ত্রাসী হঠাৎ হামলা চালায়। সন্ত্রাসীদের প্রত্যেকের হাতে লোহার রড ছিল। তারা জাহেদুল ইসলামকে প্রথমে বুকে লাতি মেরে ফেলে দেয়। এর পর লোহার রড দিয়ে সারা শরীরে অাঘাত করতে থাকে। হামলায় জাহেদের মাথায় অাঘাত পেয়ে রক্তাক্ত জখম হয়। এক পর্যায়ে বেহুশ পড়লে সন্ত্রাসীরা তার হাতে থাকা একটি এনড্রয়েট মোবাইল ফোন ও পকেটে থাকা ৫ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। দোকানদার শাহাজান ও তার স্ত্রী, সথানীয় ইমরান, হারেজ, মিনার এরা এগিয়ে এসে জাহেদকে উদ্ধার করেন এবং ঘটনা সম্পর্কে ইউএনও জিয়াউল হক মীর ও সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হেলাল চৌধুরীকে মোবাইলে অবগত করেন। তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার পূর্বক কুতুবদিয়া হাসপাতালে চিকিৎসা করান।
এ ঘটনায় কুতুবদিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দেন জাহেদুল ইসলাম।
জাহেদুল ইসলাম জানান, “অামি ওসি দিদারুল ফেরদৌসকে লিখিত অভিযোগ দিতে গেলে ওসি অামাকে ঘটনার বিষয়ে মামলা না করার জন্য বলেন, মামলা করলে অারো দুইটা মামলায় অাসামী করা হবে বলে হুমকি দেন। মামলা না করলে মোবাইল ও টাকা উদ্ধার করে দেয়া হবে অন্যতায় অারো দুই মামলায় অাসামী করার হুমকি দেন বলে জাহেদ এ প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন। স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে শিক্ষানবিশ অাইনজীবি সন্ত্রাসী হামলার শিকার
নিজস্ব প্রতিনিধি

কুতুবদিয়া উপজেলা প্রশাসনের স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন জাহেদুল ইসলাম নামের চট্টগ্রাম জজ কোর্টের একজন শিক্ষানবিশ অাইনজীবি। লকডাউনের কারণে জাহেদুল ইসলাম নিজ গ্রামের বাড়ি কুতুবদিয়ায় অবস্থান করছিলেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউল হক মীর এর অাহবানে সাড়া দিয়ে স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্ব পান জাহেদুল ইসলাম। করোনা সংক্রামক প্রতিরোধে লেমশীখালী ইউনিয়নের সমন্বয়ক ও ধূরং বাজারে দায়িত্ব পান তিনি। ইউএনওর নির্দেশমত তিনি একজন নিয়মিতভাবে দায়িত্ব পালন করে অাসছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি ২৩ এপ্রিল ২০২০ তারিখ ধূরং বাজারে দায়িত্বরত অবস্থায় দুপুর ২ টায় হামলার শিকার হন।
ঘটনার বিবরণে প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, মুদির দোকানদার শাহাজাহানের দোকানের বাহিরে জাহেদুল ইসলাম চেয়ারে বসা অবস্থায় লেমশীখালী কাজি পাড়ার গোলাম কুদ্দুসের পুত্রছাত্রলীগ নেতা সাজ্জাদ হোসেনের নেতৃত্ব ৬/৭ জন সন্ত্রাসী হঠাৎ হামলা চালায়। সন্ত্রাসীদের প্রত্যেকের হাতে লোহার রড ছিল। তারা জাহেদুল ইসলামকে প্রথমে বুকে লাতি মেরে ফেলে দেয়। এর পর লোহার রড দিয়ে সারা শরীরে অাঘাত করতে থাকে। হামলায় জাহেদের মাথায় অাঘাত পেয়ে রক্তাক্ত জখম হয়। এক পর্যায়ে বেহুশ পড়লে সন্ত্রাসীরা তার হাতে থাকা একটি এনড্রয়েট মোবাইল ফোন ও পকেটে থাকা ৫ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। দোকানদার শাহাজান ও তার স্ত্রী, সথানীয় ইমরান, হারেজ, মিনার এরা এগিয়ে এসে জাহেদকে উদ্ধার করেন এবং ঘটনা সম্পর্কে ইউএনও জিয়াউল হক মীর ও সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হেলাল চৌধুরীকে মোবাইলে অবগত করেন। তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার পূর্বক কুতুবদিয়া হাসপাতালে চিকিৎসা করান।
এ ঘটনায় কুতুবদিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দেন জাহেদুল ইসলাম।
জাহেদুল ইসলাম জানান, “অামি ওসি দিদারুল ফেরদৌসকে লিখিত অভিযোগ দিতে গেলে ওসি অামাকে ঘটনার বিষয়ে মামলা না করার জন্য বলেন, মামলা করলে অারো দুইটা মামলায় অাসামী করা হবে বলে হুমকি দেন। মামলা না করলে মোবাইল ও টাকা উদ্ধার করে দেয়া হবে অন্যতায় অারো দুই মামলায় অাসামী করার হুমকি দেন বলে জাহেদ এ প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন।

বিভাগের সংবাদ।

নিউজ ডেস্ক, চকরিয়া২৪।