মহেশখালীতে ইউপি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধীতা করার খেসারত দিতে হচ্ছে যুবলীগ নেতা ছরওয়ারকে!

received_648384019352553

বারবার মিথ্যা ও হয়রাণী মূলক মামলার শিকার

স্টাফ রিপোর্টার:
মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়ন পরিষদের বিগত নির্বাচনে ২নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে প্রতিদ্বন্ধীতা করায় বিজয়ী প্রার্থী বর্তমান মেম্বার আব্দুচ্ছালামের হাতে বিনা অপরাধে একাধিক হয়রানী মূলক মিথ্যা মামলায় আসামী হয়ে খেসারত দিতে হচ্ছে বিগত নির্বাচনের পরাজিত প্রার্থী শাপলাপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও স্থানীয় জেমঘাট এলাকার বাদশা মিয়ার পুত্র মোঃ ছরওয়ার আলমকে। অভিযুক্ত ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবদুচ্ছালাম স্থানীয় ছৈয়দ আহমদ প্রকাশ ছৈয়দ ডিলারের পুত্র।
অভিযোগে জানাগেছে, অভিযুক্ত ইউপি সদস্য আবদুচ্ছালাম ইতিপূর্বে যুবলীগ নেতা ছরওয়ার আলমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন কলাকৌশলে প্রায় ৪/৫টি মিথ্যা মামলায় আসামী করিয়ে দেয়। বিষয়টি থানা পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে আসে এবং মহেশখালী থানার বর্তমান অফিসার ইনচার্জ (ওসি) প্রভাষ চন্দ্র ধর বিষয়টি স্পষ্টভাবে বুঝতে পারেন। সর্বশেষ সম্প্রতি প্রেম ঘটিত একটি ঘটনায় খুন হয় মেহেদী নামে এক যুবক। ওই হত্যাকান্ডেও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধীতাকারী প্রার্থী ছরওয়ার আলমকে আসামী করার জন্য জোর প্রচেষ্টা চালায় মেম্বার আবদুচ্ছালাম। এমনকি বাদীকে বসে এনে এজাহারে নামও অন্তর্ভূক্ত করে দেয়। কিন্তু মহেশখালী থানার চৌকষ ওসি প্রভাষ চন্দ্র ধর বিষয়টি আছ করতে পেরে সাথে সাথেই বাদীসহ সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে জিজ্ঞাস করেন। তখন আবদুচ্ছালাম মেম্বার নামটি এজাহারে অন্তর্ভূক্ত করতে নানাভাবে অপচেষ্টা চালানোর বিষয়টি উঠে আসে। ভূক্তভোগি যুবলীগ নেতা ছরওয়ার আলম বলেন, তার সাথে নিহত মেহেদীর পরিবার এবং ষড়যন্ত্রে অংশ নেয়া আবদুচ্ছালাম মেম্বারের সাথে কোন বিরোধ নাই। শুধুমাত্র বিগত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধী করায় এবং আগামী নির্বাচনে আবারও প্রার্থী হওয়ার আতংকে আমাকে একের পর এক মিথ্যা মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করে যাচ্ছে। এঘটনায় আমি আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা ও মহেষখালী থানার অফিসার ইনচার্জের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এদিকে ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর থানার ওসি সাহেবের বিরুদ্ধে নানাভাবে মিথ্যাচারে মেতে উঠেছে অভিযুক্ত মেম্বার আবদুচ্ছালাম।
মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) প্রভাষ চন্দ্র ধর জানিয়েছেন, ছরওয়ার আলম হয়রাণীর শিকার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে। নিহত মেহেদীর পরিবারের পক্ষ থেকে দায়েরকৃত এজাহারে একইভাবে নাম চলে আসায় তা তদন্তের জন্য অপেক্ষমান রাখা হয়েছে এবং তাদের পরিবারের কাছে কারণ কি জানতে চাওয়া হয়েছে। সব মামলার তদন্তে মিথ্যা ও নির্দোষ প্রমানিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিভাগের সংবাদ।

নিউজ ডেস্ক, চকরিয়া২৪।