কুতুবদিয়াবাসীকে করোনা মুক্ত রাখতে জীবনবাজী রেখে চেষ্টা চালিয়ে যাব বাকিটা আল্লাহর উপর – দিদারুল ফেরদৌস

received_921720761596076

এ.কে.এম রিদওয়ানুল করিম ঃ

বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশের করোনা ভাইরাসের প্রকোপ যেন ব্যাপক ভাবে ছড়িয়ে না পড়ে সে জন্য সামাজিক-শাররীক দূরত্ব বজায় রাখতে জনসমাগম ও জরুরী প্রয়োজনীয় সরকারী নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে মাঠে বিরামহীন কাজ করছে পুলিশ।
লাশ দাফন কাফন এমনকি জানাজাও পড়ছে পুলিশ। এসব কারণে প্রধানমন্ত্রী নিজেই পুলিশের প্রশংসা করেছেন।
পুলিশের এমন ভূমিকা কোন নির্দিষ্ট স্থানে সীমাবদ্ধ নয়। সারা দেশের ন্যায় কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলাও এর ব্যতিক্রম নয়। রাত দিন পরিশ্রম করছে কুতুবদিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি দিদারুল ফেরদৌস ও তাঁর নিয়ন্ত্রণাধীন পুলিশ বাহিনী। থানার কনস্টেবল থেকে ওসি পর্যন্ত মরিয়া হয়ে মাঠে, ঘাটে, বাজারে সর্বোপরি সবখানে তাদের বিচরণ থেমে নেই।
করোনা মোকাবিলায় প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেছেন কুতুবদিয়া থানার ওসি দিদারুল ফেরদাউস। তিনি তাঁর সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে জোরেশোরে তৎপর ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন বলে স্থানিয়রা এ প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন।
ওসি দিদারুল ফেরদাউস তার পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে জনসচতেনতা সৃষ্টির লক্ষে করোনা ভাইরাসের সর্তক বানী নিয়ে ছুটছেন মাঠে ময়দানে।

অপরদিকে উপজেলা প্রশাসন ও সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী দোকান পাট বন্ধ রয়েছে কিনা, ঔষধ, কাঁচা বাজার ও নিত্য পন্যের দাম বেশী নিচ্ছে কিনা? সাধারন মানুষ সামাজকি দূরত্ব বজায় রাখছে কিনা? রাস্তায় গণপরিবহন চলছে কিনা? গণজামায়তে হচ্ছে কিনা? এসব ব্যাপারে নিজ প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বাংলাদেশ নৌ-বাহিনীর সহযোগিতায় সকল বিষয়ে সক্রিয়তা বজায় রেখে বাপকভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

তিনি কখনো বিনয় ভাষায় আবার কখনো কঠোর হয়ে সাধারণ মানুষকে বুঝাতে চেষ্টা করে যাচ্ছেন করোনার ভয়াবহতা কি?
থানা পুলিশের এস আই মুসলিম উদ্দিন বাবলু ও অামিরুল জানান,
করোনা লকডাউনের শুরু থেকে উপজলো প্রশাসনের মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় থানা পুলিশ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে সহযোগিতা করে আসছে। এছাড়া অসাধু ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণ করতে কাজ করছে পুলিশ। শুধু তাই নয় কুতুবদিয়ার বাহির থেকে আগতদের কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে এবং হোম কোয়ারেন্টান ও প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন বাস্থবায়নে ওসি স্যারের নির্দেশনায় নির্ঘুম পাহারা দিয়েছে পুলিশ। প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে পাঠানোর কাজে পুলিশের সক্রিয়তা না থাকলে কুতুবদিয়াকে করোনামুক্ত রাখা সম্ভব হত না।
দরিদ্র ও অসহায় পরিবারে ওসি স্যার শুরু থেকে ত্রাণ সহায়তা দিয়ে আসছে এবং ত্রাণ কার্যক্ষম এখনো অব্যাহত রেখেছেন। ৫ টি ঘাট ও বিভিন্ন পয়েন্টে শুরু থেকে বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগতদের আটকানো হয়েছে। সর্বোপরি পুলিশ করোনা দূর্যোগে জনগণের সেবায় কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান। তারা আরো বলেন,
যারা সরকারী নির্দেশ মানতেছে না, তাদেরকে কঠোরভাবে সতর্ক করছে পুলিশ।
সব মিলিয়ে মনবতার সেবায় ওসি দিদারুল ফেরদৌস ও থানা পুলিশের মুখ্য ভূমিকায় কুতুবদিয়া এখনো করোনা মুক্ত রয়েছে বলে দাবী করেন।
ওসি দিদারুল ফেরদৌস বলেন, কুতুবদিয়াকে করোনা মুক্ত রাখার জন্য শুরু থেকে মাঠে ময়দানে কাজ করছি। প্রত্যেক পুলিশ সদস্য জীবনবাজী রেখে কাজ করে যাচ্ছে। কাউকে খুশি করা কিংবা লোক দেখানোর জন্য আমরা কাজ করছি না। কুতুবদিয়াবাসীকে করোনা মুক্ত রাখতে সব চেষ্টা করে যাচ্ছি। এটা আমাদের দায়িত্বভোধ থেকে করছি। আল্লাহর অশেষ রহমত জেলার ৮ টি উপজেলায় করোনা রোগী পাওয়া গেলেও এখনো কুতুবদিয়া করোনা মুক্ত রয়েছে। কুতুবদিয়াবাসীকে করোনা মুক্ত রাখতে জীবনবাজী রেখে চেষ্টা চালিয়ে যাব বাকিটা আল্লাহর উপর ছেড়ে দিয়েছেন ওসি দিদারুল ফেরদৌস।

বিভাগের সংবাদ।

নিউজ ডেস্ক, চকরিয়া২৪।