এ যেন জনগণের দূর্ভোগ বাড়িয়ে সরকারী টাকা লুটের কৌশল

received_312181589942917

পেকুয়া প্রতিনিধি

পেকুয়া উপজেলার উজানটিয়া ইউনিয়নের প্রধান সড়ক মগনামা কাটাফাঁড়ী ব্রীজ থেকে করিমদাদ মিয়ার ঘাট সড়ক।

এই সড়কের জামাল মেম্বারের বাড়ী অর্থাৎ প্রিজম সেন্টার থেকে করিমদাদ মিয়ার ঘাট পর্যন্ত
২ কিঃ মিঃ সড়ক পাকা করনের জন্য বিগত ২০১৮ সালে পেকুয়া এলজিইডি টেন্ডার আহবান করলে ১ কোটি ৯৪ লাখ টাকা বাজেটে সড়কের কাজটি বাস্তবায়নের জন্য কার্যাদেশ পান চকরিয়ার বিশিষ্ট সাংবাদিক ও
টিকাদার মাঈনুদ্দিন হাসান শাহেদ। তিনি ২০১৯ সালে কাজ শুরু করেন। সড়কের ইটগুলো তুলে সড়কের পাশে রাখেন। পরে কোন কারণে ঠিকাদার কাজটি বাস্তবায়ন করেনি। এরমধ্যেই কার্যাদেশ বাতিল করে দেন পেকুয়া এলজিইডি।

পরে ২০২০ সালের দিকে পেকুয়া এলজিইডি উক্ত ২ কিলোমিটার সড়কের কাজ বাস্তবায়নের জন্য পুনঃ টেন্ডার আহবান করেন। এবারে ২ কোটি ৩৪ লাখ টাকায় কাজটি বাস্তবায়নের জন্য কার্যাদেশ পেয়েছেন চকরিয়ার আরেক বিশিষ্ট ঠিকাদার ফরিদুল আলম। যাহা বিগত টেন্ডারের চেয়ে ৪০ লাখ টাকা বেশি!

প্রথম ঠিকাদার সড়কের কাজটি যথাসময়ে বাস্তবায়ন করলে এলাকাবাসীদের দূর্ভোগ কমতো এবং সরকারের ৪০ লাখ টাকা সাশ্রয় হতো। ১ম ঠিকাদার কাজ বাস্তবায়ন কেন করেনি সেটা জানা যায়নি। পেকুয়া এলজিইডির অবহেলা ছিল কিনা সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের খতিয়ে দেখা জরুরী। আবার ২য় ধাপে পুনঃ টেন্ডার দিয়ে ৪০ লাখ বৃদ্ধির বিষয়টিও রহস্যজনক।

সর্বশেষ কার্যাদেশপ্রাপ্ত ঠিকাদার কাজটি এখনো শুরু করেনি। ঠিকাদার কাজটি কবে নাগাদ শুরু করবে তাও জানা যায়নি। ছবি ও প্রতিবেদনঃ সাংবাদিক গিয়াস উদ্দিন। তাং ০১/০৭/২০২০ইংরেজী।

বিভাগের সংবাদ।

নিউজ ডেস্ক, চকরিয়া২৪।