চকরিয়ার বদরখালীতে দোকানঘর ভাড়াটিয়া ভাগিনার উপর অংশ মালিক মামার নির্যাতন, দোকানে তালা

FB_IMG_1595763956050

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
চকরিয়া উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নে লকডাউন শেষে দোকান খোলতেই ভাড়াটিয়া আপন ভাগিনার উপর অত্যাচার-নির্যাতন শুরু মালিক নামদারী নিজ মামা। ইউনিয়নের বদরখালী বাজারে পুশ্চিম পুকুরিয়াপাড়া (৩নং ওয়ার্ড) বদরখালী এলাকায় ঘটেছে এ ঘটনা।

দোকানের ভাড়াটিয়া মোজাহের আহমদের পুত্র এস এম ই‌লিয়াছ তার লিখিত বক্তব্যে জানান, ২০১৭ সা‌লে বদরখালী বাজারে এক‌টি দোকান ৬,৫০,০০০ (ছয় লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকায় ভাড়া নি‌য়ে ব‌্যবসা শুরু করেন। যেখানে একটি পানের দোকান ও চায়ের দোকানদার হিসেবেতার উপ- ভাড়াটিয়াও রয়েছে। বর্তমানে দুই বছর অাট মাস যার মেয়াদ কাল হয়েছে।
কিন্তু অত্যান্ত দুঃখের বিষয় হচ্ছে, দোকান-ঘরের উপর
অামার খালাতো ভাই পটু, পিতা- নুরু চৌকিদার, মামি রোজিনা বেগম ও মামা রফিকুল ইসলামের হীন নজর পড়ে। যার কারণে তারা উভয়ে আমি ও অামার পরিবারের সদস্যদের প্রতি ষড়যন্ত্র শুরু করে।

ইলিয়াছ অভিযোগ করেন, গত ৪ এপ্রিল ২০২০ইং দেশব্যাপী লকডাইন চলাকালীন সময়ে অামার চলমান দোকানে গিয়ে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে তালাবদ্ধ করে দেয়। পরে অামি তাদের সাথে সমঝোতা করে পুনরায় গত ১৭ জুন ২০২০ইং দোকান চালু করে ব্যবসা পূণর্য় অারম্ভ করি। কিন্তু গত শুক্রবার (২৪জুলাই ২০২০) অামার খালাতো ভাই পটু বিনা অজুহাতে অামার দোকান অাবারো তালাবদ্ধ করে। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিন্নভাবে তা উপস্থাপন করে আমাকে ঘায়েল করে মানক্ষুন্ন করার চেষ্টা চালানো হয়েছে।

ভূক্তভোগি ইলিয়াছ অভিযোগ করেন, বিগত ১৯৯৩ সালে অামার বড় মামা অাব্দুল কাদেরকে অমানবিক ভাবে হত্যা করা হয়। যার মূল পরিকল্পনাকারী ছিল তার ছোট ভাই রফিকুল ইসলাম(ছোট মামা)। কিছুদিন পূর্বে নিজ বৃদ্ধা মাকে দা দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। যার জন্য তার মা (আমার নানি) বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করলে অাসামী রফিকুল ইসলাম ৭মাস জেল খাটে।
উল্লেখিত বড় মামা মৃত অাব্দুল কাদেরের সম্পত্তি বদরখালী রবি টাওয়ারের সামনে রাস্তার পশ্চিম পাশে ১০ হাত দোকান ভীটা এবং বর্তমান অামার ছোট মামা রফিকুল ইসলামের বসতভীটা এবং বিভিন্ন জায়গায় (২ কানি) জমি যার উভয় মালিক তাদের মা, চার বোন ও এক ভাই। কিন্তু রফিকুল ইসলাম একাই সব সম্পত্তি ভোগ দখল করে অাসতেছে। অামি এস এম ইলিয়াছ, আমার দুই খালা ও অামার মায়ের মতামতের প্রেক্ষিতে এর প্রতিবাদ জানালে অামার বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রকার ষড়যন্ত্র শুরু করে।
অামার ছোট মামি রোজিনা বেগম নিজ স্বামীর বাসা ও বিভিন্ন জায়গায় অপরিচিত লোকের সাথে অবৈধ সম্পর্কে প্রতিনিয়ত লিপ্ত থাকেন। যার প্রমাণ স্বরূপ অত্র এলাকার জনগণ রোজিনা বেগমকে হাতে-নাতে ধরে ফেলে উত্তম মাধ্যম দিয়ে হাসপাতালে পাঠায়। যার কিছু প্রমাণ ও সাক্ষী স্বরূপ অত্র এলাকার সর্বস্তরের জনগণ এবং তাহার নিজ পাড়া প্রতিবেশি।

ইলিয়াছ জানান, অামার বোন জামাই জাহাঙ্গীর অালম। তিনি একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। দীর্ঘ ২০ বছর যাবৎ বদরখালী বাজারে ব্যবসা করে অাসতেছে। বর্তমানে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চকরিয়া কাঁচা বাজারে। ঘটনারদিন জাহাঙ্গীর আলম ছিলেন পৌর বাসটার্মিনালের কিচেন মার্কেটের আড়তে এবং এক্সিডেন্ট করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলাম। তাকে বিএনপির নেতা হিসেবে পরিচয় দিলেও কোন রাজনীতির সাথে তিনি জড়িত নেই বলে দাবী করেন। বর্তমানে
গত শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল থেকে অদ্যবধি দোকান তালাবদ্ধ করে রাখার কারণে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৬০ হাজার টাকা মত ক্ষতি সাধন হয়েছে।

কিন্তু আমার দোকানে হামলা করে, তালা লাগিয়ে দিয়ে উল্টো আমরা হামলা করেছি মর্মে সম্পূর্ণ মিথ্যাচার করা হয়েছে।

পরিশেষে বলতে চাই অামি, অামার পরিবার ও দুই খালা (রহিমা বেগম ও রুণা বেগম) এই ঘঠনার তদন্ত করে সুষ্ঠ বিচার প্রার্থনা করছি। তারাও সবাই দানপত্র ও চুক্তিমূলে ওই দোকানের অংশ মালিক।

প্রকাশিত মিথ্যা সংবাদ নিয়ে প্রকাশিত মিথ্যা সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং প্রশাসন ও এলাকাবাসীসহ সংশ্লিষ্ট কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহবান জানান

বিভাগের সংবাদ।

নিউজ ডেস্ক, চকরিয়া২৪।