বনমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা, খুটাখালী বিটের বনজ সম্পদ উজাড় হয়ে যাচ্ছে

FB_IMG_1596128420949

জাকের উল্লাহ চকোরীঃ

কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের,ফুলছড়ি রেঞ্জের আওতাধীন,খুটাখালী বনভুমির মধুরশিয়া-গয়ালমারার মধ্যখানের গর্জন বাগান থেকে ২রাতে ২১টি চারা গর্জন গাছ বিক্রি অভিযোগ বিটকর্মকর্তা রেজাউল করিম ও মুন্সি ফয়সাল,বাবু বড়ুয়ার বিরুদ্ধে।এভাবে হলে সম্প্রতি সময়ের মধ্যে উজাড় হবে বন।ফলে সরকার হারাচ্ছে বা হারাবে রাজস্ব।

এলাকাবাসীর অভিযোগে সরেজমিনে গেলে দেখা যায়,খুটাখালী বনবিটের বনভূমি মধুরশিয়া ও গয়ালমারা মধ্যখানের গর্জন বাগানের ২১টি গর্জন গাছ বিক্রি করেছেন বলে জানান,ওবাইদুল,আজিম ও সোলতান সহ আরো অনেকই।আরো জানান,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বনবিট কর্মকর্তা রেজাউল ও মুন্সি ফয়সাল,বাবু বড়ুয়া গত ২৫ জুলাই গাছ চোরদের কাটাগাছ গুলো জব্দ করে।পরে ২৬ জুলাই খুটাখালীর ১জন,ডুলাহাজারার ২জন ব্যবসায়ীকে গাছগুলো বিক্রি করে দিয়েছে।এতে কি সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হল না প্রশ্ন স্হানীয়দের।এছাড়া এই বাগানের আরো অনেক চারা গর্জন গাছ কাটার দৃশ্যও চোখে পড়েছে।এভাবে কর্মকর্তারা যদি রক্ষকের পরিবর্তে বক্ষের ভুমিকা পালন করে।তাহলে এই বনের গাছগুলো সম্প্রতি সময়ের মধ্য উধাও হয়ে যাবে।ফলে সাবাড় হবে ভুমি।
এবিষয়ে মুন্সি ফয়সালের সাথে ফোনে কথা বললে,তিনি জানান আমি যাইনি।আপনি বিটকর্মকর্তা থেকে জেনে নিন বলে লাইন কেটে দেন।
এবিষয়ে খুটাখালী বনবিট কর্মকর্তা রেজাউল করিমকে একাধিক বার ফোন করি।ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এবিষয়ে ফুলছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা সৈয়দ আবু জাকরিয়া বলেন,আমিতো এসব জানিনা ও শুনেওনি।এখন জেনেছি ভাল হল,আমি এর বিরুদ্ধে ব্যবস্হা নিব।তবে আপনি বিট কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করে বিস্তারিত জেনে নিন।

, বিভাগের সংবাদ।

নিউজ ডেস্ক, চকরিয়া২৪।