চকরিয়ার পূর্ববড়ভেওলায় পানির মটর চুরিসহ সৃষ্ট ঘটনার নিষ্পত্তির পরও হুমকি ধমকির অভিযোগ

voala chakaria pic 06-08-20

চকরিয়া অফিস:
চকরিয়া উপজেলার পূর্ববড়ভেওলা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের আনিচপাড়া গ্রামে বাড়ির পানির মটর চুরিকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট ঘটনার আপোষের মাধ্যমে সমাধান করা হয়েছে। ওই গ্রামের বদিউল আলম চৌধুরীর পুত্র মো: আইয়ুবের পরিবারের সাথে একই এলাকার মৃত মোহাম্মদ এজাহারের পুত্র মো: আলী গংয়ের মধ্যে উক্ত বিরোধ সৃষ্ট হলে চকরিয়া থানায় গত ৩১ জুলাই স্থানীয়ভাবে সমঝোতার আলোকে বিরোধের মিমাংসা হয়।
প্রাপ্ত তথ্যে ও অভিযোগে জানাযায়, উল্লেখিত মো: আলীর পুত্র নুরুন্নবী স্থানীয় কতিপয় বখাটে উশৃংখল যুবকদের সাথে চলাফেরা ও উঠাবসার কারণে সম্প্রতি বদিউল আলম চৌধুরীর পুত্র মো: আইয়ুবের বাড়ি থেকে একটি পানির মটর চুরি করে অন্যত্র বিক্রি করে দেয়। মটর বিক্রির টাকাও খারাপ কাজে ব্যবহার করে। স্থানীয়দের মাধ্যমে মো: আলীর পুত্র নুরুন্নবী কর্তৃক পানির মটর চুরির বিষয়টি অবগত হয়ে তাকে (চোর নুরুন্নবী)কে ধরতে গেলে স্থানীয়দের সামনে প্রকাশ্যে মটর চুরির বিষয়টি ভিডিও ধারণ সহকারে স্বীকারোক্তি দেন। উক্ত বিষয়টি নুরুন্নবীর বোন তছলিমা ও মোশরফা এবং মা ফাতেমা বেগমসহ পরিবারের সদস্যরা জানতে পারলে তাৎক্ষনিকভাবে এসে মটরের মালিক বদিউল আলম চৌধুরীর পুত্র মো: আইয়ুবের উপর হামলে পড়ে। ওই সময় স্থানীয় জনসাধারণ মটর চুরির বিষয়টি নিয়ে ঘটনার সত্যতা জানতে পেরে তাদেরকে গণধোলাই দেওয়ার চেষ্টা করে। ওই সময় পুলিশ খবর পেয়ে তাৎক্ষনিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌছে চোর নুরুন্নবীসহ সকল আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে আপোষের ভিত্তিতে মটরের মালিক বদিউল আলম চৌধুরীর পুত্র মো: আইয়ুবের জিম্মায় মো: আলীর পুত্র নুরুন্নবীকে থানা থেকে ছাড়িয়ে নেন।
চকরিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুজন সেম জানান, বাড়ি থেকে পানির পাম্প (মটর) চুরি ও মারধরের বিষয়ে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে তার পুলিশদল অভিযান চালায় এবং অভিযুক্ত নুরুন্নবীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় সমাধানের ভিত্তিতে দু’পক্ষের আপোষনামা হাতে পেয়ে পানির মটরের মালিক বদিউল আলম চৌধুরীর পুত্র মো: আইয়ুবের জিম্মায় তাকে (নুরুন্নবী) ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
এদিকে পানির মটরের মালিক বদিউল আলম চৌধুরীর পুত্র মো: আইয়ুব স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, তার বাড়ির মটর চুরিসহ ঘটনার বিষয়টি আপোষের মাধ্যমে নিষ্পত্তিসহ তাকে থানা থেকে ছাড়িয়ে নেওয়ার পর এখন তার পরিবারের বিরুদ্ধে নতুন করে হুমকি ধমকি দেয়া হচ্ছে। এমনকি আপোষনামায় স্পষ্ট উল্লেখ আছে, সৃষ্ট ঘটনা নিয়ে
পরবর্তীতে কোন পক্ষ থানা বা আদালতে কোন ধরণের মামলা-মোকাদ্দমা ও অভিযোগ দাখিল করিবেননা। এধরণের কিছু করলে তা সর্বাদালে অগ্রহণযোগ্য ও অবিবেচিত হইবে। এরপরও এলাকার কিছু উশৃংখল ও ইয়াবা কারবারীদের চক্রান্তে নতুন ষড়যন্ত্র শুরু করার পায়তারা চালাচ্ছে। এজন্য তিনি প্রশাসনের কাছে আইনী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বিভাগের সংবাদ।

নিউজ ডেস্ক, চকরিয়া২৪।