চকরিয়া কোনাখালীতে সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত ৪

conakhali pic 06-08-20

চকরিয়া অফিস:
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড জঙ্গলকাটা গ্রামে একই পরিবারের ৪ জনকে গুরুতর আহত করেছে এক দল সন্ত্রাসী। ১আগষ্ট শনিবার জঙ্গলকাটা স্টেশন থেকে বাড়ি ফেরার পথে প্রাথমিক ভাবে ঘটনার সূত্রপাত হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী আছমাউল হোছনা জানান- ঘটনার ধারাবাহিকতায় আমার দেবর আবু বক্কর সিদ্দিক বন্ধুদের সাথে খোশগল্প করে বাড়ি ফেরার পথে বক্করকে দেখামাত্র পূর্ব পরিকল্পিতভাবে খোরশেদ আলমের পূত্র ফেরদৌস আহমদসহ মুহিদুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, গোলাম ছোবাহান, তৌহিদুল ইসলাম হত্যার উদ্দেশ্যে লোহার রড,কিরিস,বন্ধুকের বাট দিয়ে এলোপাথাড়ি আঘাত করতে থাকে।আঘাত সহ্য করতে না পেরে মাঠিতে লুটিয়ে পড়লেও কোন মতে জানে-প্রানে বাড়ি ফিরে আসে। এই ঘটনার জেরধরে ১০/১৫ জন সন্ত্রাসী নিয়ে বিকেল আনুমানিক সাড়ে চার টার দিকে বাড়িতে হামলা করে। বাড়ির ভিতর রক্ষিত আলমারি, ফ্রিজ,দরজা,জানালা ও প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র ভাংচুর করে। আলমারিতে রক্ষিত সাড়ে তিন ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার ও নগদ ৫০,০০০ টাকা লোটকরে নেয়। বক্করকে না পেয়ে মোজাফফর হোসেনের স্থী উম্মে হাবিবা সহ ৪ জনকে গুরুত্বর আহত করে। এই সময় উম্মে হাবিবার শোর চিৎকার শুনে এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে আসামিরা নগদ টাকা ও দামী মোবাইল ছিনতাই করে পালিয়ে যায়। যাওয়ার সময় কনা,রুজিনা,লাকী,তানজিনা,রওশন ও গুরাপুতনী ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে বসত ঘরের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে। গাছপালা কেটে বসতবাড়ির ব্যাপক ক্ষতিসাধন করেছে বলে জানা যায়। সন্ত্রাসীরা কোনাখালীর ৯নং নম্বর ওয়ার্ড জঙ্গল কাটা গ্রামের খোরশেদ আলমের পূত্র ফেরদৌস আহমদ, ফেরদৌস আহমদের পুত্র মুহিদুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, খোরশেদ আলমের পুত্র গোলাম ছোবাহান,গোলাম ছোবাহানের পুত্র জাহেদুল ইসলাম, শাকিলা আক্তার, উম্মে হাবিবা,রাজিয়া বেগম,কনা,লাকী,তানজিনা, রওশন আক্তার বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন। এই সন্ত্রাসী হামলার নেতৃত্ব দেন চিহ্নিত সন্ত্রাসী ফেরদৌস আহমদ। স্হানীয় লোকজন ও পুলিশের সহায়তায় আহতদের চকরিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া যায়। আহতদের ম মধ্যে উম্মে হাবিবার অবস্থা গুরুতর বলে জানান চকরিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক । আহত বাকীরা চকরিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে চলে গেলেও গুরুত্বর আহত ওম্মে হাবিবা হাসপাতালের বেড়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জালড়ছেন বলে জানান আহতের ছেলে ফয়সাল। এই ঘটনায় উম্মে হাবিবা বাদী হয়ে ফেরদৌস আহমদ কে প্রধান আসামি করে ১০ জনের নাম উল্লেখ সহ আরও অজ্ঞাতনামা রেখে চকরিয়া থানায় এজাহার দিয়েছেন বলে জানান বাদী উম্মে হাবিবার স্বামী মোজাফ্ফর আহমদ। একই আসামীদের বিরুদ্ধে কয়েক মাস আগেও মারামারির অভিযোগে থানায় পৃথক আরও একটি অভিযোগ লিপিবদ্ধ করেন বলে জানা যায়। এই বিষয়ে মাতামুহুরী পুলিশ ফাঁড়ির এসআই কিশোর বলেন, ভুক্তভোগী ৯৯৯ এ ফোন করলে তাদের সহযোগিতায় চকরিয়া থানা থেকে আহতদের উদ্ধারের জন্য আমাদের জানালে, আমরা তড়িৎ গতিতে গঠনাস্থলে পৌছে আহতদের উদ্ধার করে, চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করি। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলা প্রক্রিয়াধীন।

বিভাগের সংবাদ।

নিউজ ডেস্ক, চকরিয়া২৪।