বদরখালীতে মরহুম হাফেজ আহমদের শূন্যপদ পূরণে টাকার মিশনে তিন প্রার্থী

received_734054663823451

যে কোন ভাবে সোনার হরিণ পেতে চায়

আল্ জাবের
বদরখালী সমবায় কৃষিও উপনিবেশ সমিতির সাবেক পরিচালক মরহুর হাফেজ আহমদের আত্নার মাগফিরাত কামনা করছি। দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তর প্রতিষ্ঠান বদরখালী সমবায় কৃষিও উপনিবেশ সমিতি। এ প্রতিষ্ঠানের সুনাম সারা বিশ্বে ছিটিয়ে ছড়িয়ে।এ প্রতিষ্ঠান মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর কাছে থেকে দুবার জাতীয় পুরস্কার লাভ করেন। গত ১৮ আগস্ট চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে হাফেজ আহমদ মৃত্যু বরণ করেন। বদরখালী সমবায় কৃষিও উপনিবেশ সমিতির নির্বাচনে মরহুম হাফেজ আহমদ বিপুল ভোটে পরিচালক নির্বাচিত হন। নির্বাচিত হওয়ার কিছু মাস পর হাফেজ আহমদ মৃত্যু বরণ করেন। তাহাঁর শূন্য পদে পরিচালক মনোনীত করার জন্য নাম শুনা যাচ্ছে অত্র সমিতির সাবেক পরিচালক নাজেম উদ্দিন,হাজ্বী জাফর আলম, আজমনগর মজিদিয়া দাখিল মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক নাঈম উদ্দিন। শূন্য পদে পরিচালক নির্বাচিত করবেন বদরখালী সমবায় কৃষিও উপনিবেশ সমিতি’র সভাপতি,সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, পরিচালকদের হাত তোলা ভোটের মাধ্যমে । তিন প্রার্থীরা জোর তদবির চলাচ্ছেন সোনার হরিণ নিজের করে নিতে। সমিতির সভ্যদের জনমনে প্রশ্ন?বদরখালী সমিতির মরহুম হাফেজ আহমদের শূন্য পদের জায়গায় ভর্তি হতে নগদ টাকা নিয়ে পরিচালকদের ঘরে ঘরে যাচ্ছেন প্রার্থীরা কেউ ৬ লাখ আর কেউ ৭ লাখ,আর কেউ ৭ লাখ ৫০ হাজার। যে ভাবে হউক সোনার হরিণ হাতে নিতেই চাই। এত টাকা দিয়ে শূন্যপদের পরিচালক পদটি নেয়ার কারণ কি জনমনে প্রশ্ন। এ সমিতি যেন নির্বাচিতদের টাকার মেশিন!বদরখালী সমবায় কৃষিও উপনিবেশ সমিতি বদরখালীবাসীর একমাত্র অাশ্রয়স্থল এবং শেষঠিকানা। বদরখালীর পরিচিতিঃ
চকরিয়া সুন্দরবনের বদরখালী ঘোনা মৌজা নিয়ে ১৯৩০ সালে বদরখালী সমবায় কৃষি উপনিবেশ সমিতির মাধ্যমে সম্পূর্ণ বদরখালী এলাকা বন-আবাদ পূর্বক মানব বসতির উপযুক্ত করা হয়। এই বদরখালী মৌজা ১৯৩০ সালের পূর্বে চকরিয়া সুন্দরবনের একটি অংশ ছিল। ভূতপূর্ব চকরিয়া থানার অন্যতম বৃহত্তম ইউনিয়ন বদরখালী ইউনিয়ন বোর্ডের ৪টি ওয়ার্ড নিয়ে বদরখালী গ্রাম। স্বাধীনতা সংগ্রামে পূর্বের বদরখালী ইউনিয়ন বর্তমানে ৭টি ইউনিয়নে বিভক্ত, যা বর্তমানে মাতামহুরী প্রস্তাবিত উপজেলা। ইউনিয়নসমূহ হলো বদরখালী, পশ্চিম বড় ভেওলা, ঢেমুশিয়া, কোনাখালী, ভেওলা মানিকচর, পূর্ব বড় ভেওলা ও সাহারবিল ইউনিয়ন। পরবর্তী সময়ে ১৯৭২ সালের দিকে বৃহত্তর বদরখালী ইউনিয়ন সংকুচিত হয়। এ বদরখালীতে অসংখ্য প্রায়ত এবং নবীন গুরুজনদের জন্ম হয়েছে যা ইতিহাস স্বাক্ষী। এ সমিতিকে নিয়ে রচনা লিখতে গেলে ও শেষ হবে না। কারণ এ সমিতিতে অনেক ইতিহাস রয়েছে যেটি বাস্তব। বদরখালী সমিতির ২৬২ জন মুল সভ্য সবাই মৃত্যু বরণ করেছেন। তাদের কষ্টের শেষ ঠিকানা ছিল এ সমিতি স্বপ্ন ছিল বহুদূর।
আমার এ লেখা কাউকে ছোট করার জন্য নয়। বাস্তব বিষয়টি তোলে ধরলাম মাত্র। পর্ব-১

বিভাগের সংবাদ।

নিউজ ডেস্ক, চকরিয়া২৪।