মানিকপুরের ঐতিহ্য ধংসে ভুঁইফোড় জুয়াড়ি ভূমিদস্যুদের তান্ডব, ভুয়া আইডি কার্ড ও জন্মসনদে জমি রেজিষ্ট্রি নিয়ে উত্তেজনা

IMG_20200909_224228

চকরিয়া প্রতিনিধি:
দিগন্ত বিস্তৃত সবুজের সমারোহে অপরূপ বৃক্ষরাজির অনিন্দ্য নাম মানিকপুর। এ যেন এক ঐতিহ্যের সমৃদ্ধরূপে নিত্য কাব্যগাঁথা। তবু বলতে হয় কালে ভাদ্রে সমৃদ্ধের পাশাপাশি ভুঁইফোড় জুয়াড়ি ভূমিদস্যুদের তান্ডবে ছিন্ন-ভিন্ন এই গ্রামের মাটি, মানুষ ও সমাজ। এই গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষ গুলো অষ্টপ্রহর পরিশ্রম করে তিনবেলা ভাত খেয়ে সুন্দর একটি যাপিত জীবন প্রার্থনা করে আল্লাহর কাছে। এই গ্রামের পরিশ্রমী মানুষদের বরাবরের মতো আক্রান্ত করে চলছে কিরিছধারী বরবর জুয়াড়ি ও ভূমিদস্যুরা। গত ১৬আগষ্ট’২০২০ ইংরেজি জনসমক্ষে উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) অফিসে ভূমিদস্যুদের তান্ডবলীলার প্রমাণ পাওয়া যায়। ভুয়া ন্যাশনাল আইডি কার্ড ও ভুয়া জন্মসনদের মাধ্যমে রেজিস্টার পূর্বক খতিয়ান করতে গেলে ধরা পড়ে ভূমিদস্যুদের একাংশ।
এমন ভুয়া তথ্য দিয়ে সাবরেজিস্টি অফিসে কিভাবে ভুয়া দলিল তৈরি হচ্ছে তা জাতির কাছে প্রশ্ন থেকে যায়।
ভূমিদস্যুদের মধ্যে রয়েছে; বখতিয়ার উদ্দিন রোবায়েত, পিতা: সাবেক মেম্বার নাসির উদ্দিন, মোহাম্মদ ছুট্টু, পিতা: ওয়াজেদ আলি ও আব্দুল হামিদ, পিতা: দেলোয়ার হোসেন গং সর্বসাং মধ্যম মানিকপুর ৪নং ওয়ার্ড, সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়ন, চকরিয়া, কক্সবাজার।

জানাগেছে, এরই প্রেক্ষিতে বান্দরবান রাজপরিবারের যুবরাজ অইঙ্গ ফ্রু চৌধুরী ও মানিকপুর চৌধুরী বাড়ি এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে সমন্বিত বৈঠকে যুবরাজ চরম আক্ষেপ ও দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, এমন গর্হিত অপরাধের চরম শাস্তি হওয়া উচিত। বৈঠক পরবর্তী তাঁর দাদা মোহ বোমাং রাজা স্মৃতি স্তম্ভ পরিদর্শন করে স্মৃতি স্তম্ভটির পুননির্মাণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। তাছাড়া মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর, স্বাধীনতা পার্ক, রাখাইনদের বস্ত্র তৈরির কারখানা ও শিশুতোষ স্কুল প্রতিষ্ঠার সাদর আহ্বান জানান। এলাকাবাসীর তথা মেহনতী মানুষের মুখে অকৃত্রিম উচ্ছ্বাসে যুবরাজ মননে আন্দোলীত হন ও উপস্থিত সকলের ফুলেল শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন। স্থানীয় সচেতন জনসাধারণ বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখার জন্য জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা ভূমি অফিস ও সাবরেজিষ্ট্রি অফিস চকরিয়ার প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।##

বিভাগের সংবাদ।

নিউজ ডেস্ক, চকরিয়া২৪।