মা-মেয়েকে রশিতে বেঁধে নির্যাতন: এএসপি সার্কেলের তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল চেয়ারম্যানসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা

received_331994354665569
চকরিয়া প্রতিনিধি:
গরুচুরির মিথ্যে অপবাদে মা-মেয়েসহ ৫জনকে রশি দিয়ে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় বিতর্কিত চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলামসহ ৮জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেছে আদালত। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) চকরিয়ার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক রাজিব কুমার দেব আসামীদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেন। গত ২৪ আগষ্ট সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেটের স্বপ্রণোদিত মামলায় গঠিত তদন্ত টীমের প্রধান চকরিয়া সার্কেলের সিনিয়র এএসপি’র দাখিলকৃত প্রতিবেদনে ৮ জনের সম্পৃক্ততার কথা উঠে আসে। গ্রেফতারী পরোয়ানা জারির বিষয়টি ৯ সেপ্টেম্বর বিকেল থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হতে থাকলে জেলাজুড়ে ফের আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে পরিণত হয়।
আদালত কর্তৃক গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি হওয়া আসামীরা হলেন, হারবাং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলাম, তার সহযোগি নজরুল ইসলাম, জসিম উদ্দিন, নাছির উদ্দিন, রাজিব, কবির, গ্রাম পুলিশ নুরুল আমিন ও গ্রাম পুলিশ আহমদ হোসন। এরমধ্যে গত ২৫ আগষ্ট থেকে নজরুল ইসলাম, জসিম উদ্দিন ও নাছির উদ্দিন পুলিশ কর্তৃক ধৃত হয়ে কারাগারে রয়েছেন।
গত ২১ আগস্ট গরুচুরির মিথ্যে অপবাদ দিয়ে মা ও দুই মেয়েসহ ৫জনকে রশি দিয়ে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। নির্যাতনের এক পর্যায়ে তাদেরকে প্রায় ৫ কিলোমিটার রাস্তায় হাটিয়ে হারবাং ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে এসে দ্বিতীয় দফায় নির্যাতন চালায় চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলাম ও তার সহযোগিরা। নির্যাতনের ভিডিওচিত্র মুলধারার গণমাধ্যম ও ফেসবুকে ভাইরাল হলে পুরো দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়।
চকরিয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের এপিপি এডভোকেট এএইচ শহীদুল্লাহ চৌধুরী জানান, উপজেলা সিনিয়র জুড়িসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক রাজিব কুমার দেব গত ২৪ আগষ্ট স্বপ্রণোদিত হয়ে একটি মামলা করেন। মামলাটি চকরিয়া সার্কেল সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার কাজী মতিউল ইসলামকে প্রধান করে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
তিনি আরও বলেন, তদন্তের ১৩ দিন পর তদন্তকারী কর্মকর্তা গত ৬ সেপ্টেম্বর আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনে ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৮ জনের সম্পৃক্তার কথা উঠে আসে। গত ৭ সেপ্টেম্বর আদালত শুনানী শেষে ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৮জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেন।
গত ২৫ আগষ্ট নির্যাতনের শিকার মা পারভীন বেগম বাদী হয়ে ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৪ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৩০জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। ##
, বিভাগের সংবাদ।

নিউজ ডেস্ক, চকরিয়া২৪।