চকরিয়ার লক্ষ্যারচরে প্রতিবন্ধী শিশু ছেলেকে রেখে স্বামীকে স্বেচ্ছায় তালাক, মামলায় জড়িয়ে হয়রানীর অভিযোগ

chakaria laykkarchar pic 9-1-21

বিশেষ প্রতিবেদক,চকরিয়া
চকরিয়ার লক্ষ্যারচর এলাকায় এক গৃহবধু স্বামী কে স্বেচ্ছায় তালাক দিয়ে বাপের বাড়ীতে চলে গিয়ে স্বামীর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দিয়ে হয়রানী করার অভিযোগ উঠেছে।
জানাগেছে, চকরিয়া উপজেলার কৈয়ারবিল ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড ইসলাম নগর এলাকার মোহাম্মদ হোছাইনের কন্যা হুমাইরা জান্নাতের সাথে লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের ৬নং ওয়াড্র্ চরপাড়া এলাকার ফারুখ আহমদের পুত্র মো.দিদারুল ইসলামের ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক ২০১৭ইং সালের সেপ্টেম্বর মাসের ১২ তারিখ রেজিষ্ট্রি কাবিন নামা মূলে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।বিবাহের পর সূখে-শান্তিতে তাদের দাম্পত্য জীবন কাটিয়েছিল, তাদের ঔরষে মোহাম্মদ মুস্তাহিন নামে এক প্রতিবন্ধী পুত্র সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর থেকে শ্বাশুরি রিনা আক্তারের কু-প্ররোচনায় স্ত্রী হুমাইরা জান্নাত মো.দিদারুল ইসলাম কে শ্বশুর বাড়ী(স্ত্রীর পিতার বাড়ীতে সাংসারিক জীবন কাটানোর) প্রস্তাব দেন।এতে রাজি না হওয়ায় বেকে যায় স্ত্রী হুমাইরা জান্নাত। এর পর থেকেই নানা অশান্তিতে দিন অতিবাহিত হয় তাদের দাম্পত্য জীবনে।এরই ধারাবাহিকতায় পরবর্তী ২৫ফেব্রুয়ারী২০২০ইং শ্বাশুরী রিনা আক্তার গং ফুসলাইয়া স্বামীর অজান্তে হুমাইরা জান্নাত কে  নিয়ে যায়।খোঁজ-থবর নিয়ে সন্ধান না পাওয়ায় ঐ দিনই দিদার প্রতিবন্ধী শিশু ছেলে কে নিয়ে থানায় প্রশাসনের নিকট অবহিত করেন। স্ত্রী কে না পেয়ে অনেক খোঁজাখুজি করার পর ব্যথ্র্ হয়ে ২৬ ফেব্রুয়ারী একটি দৈনিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করা হয়,সংবাদের প্রকাশের অবগত স্থানীয় লোকজন দিদার কে খবর দেন তার স্ত্রী বাপের বাড়ীতেই আছেন।এ বিষয়ে দিদারুল ইসলাম অসুস্থ প্রতিবন্ধি শিশুটি মা এর অভাবে মারা যাওয়ার ভয়ে শিশুকে বাঁচানোর লক্ষে স্ত্রী কে উদ্ধারের জন্য চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্র্ম্কতা বরাবরে ২৭ ফেব্রুয়ারী একটি এম.আর.মামলা দায়ের করেন। পরদিন ৮ ফেব্রুয়ারী হুমাইরা জান্নাত স্বামী মো.দিদারুল ইসলাম কে তালাক প্রদান করে নোটিশ প্রেরন করেন।দিদারের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্র্ম্কতা বরাবরে একটি অভিযোগ দায়ের করেন, ,উক্ত অভিযোগের বিষয়ে নির্বাহী কর্র্ম্কতার আদালতে যথাযথ জবাব দিয়ে আইনগত ভাবে মোকাবেলা করেন দিদার, দাম্পত্য জীবন সচল রাখার জন্য অসহায় শিশু কে রক্ষনা-বেক্ষনের স্বার্থে ২০ নভেম্বর ২০২০ইং আফসানা ছিদ্দিকা সাথী কে ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক রে.জি. কাবিন নামামূলে বিবাহ করেন। ১ ডিসেম্বর ২০২০ইং মারধর করে যৌতুক দাবী করে বাহির করে দিয়েছে ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে যথা বিবাহের সময় ২৭প্রকার ফার্নিচার ও তৈজস পত্রাদিসহ যৌতুক দিয়েছে মর্মে আদালতে একটি মামলা করেন, ২৭ ডিসেম্বর দিদার ও তার স্ত্রী আফছানা ছিদ্দিকা হাসপাতালে বাচ্চাকে চিকিৎসা করতে গেলে ঐ সময় থানা পুলিশ বাড়ী ঘেরাও করে ফার্নিচারসহ আসবাব পত্র উদ্ধার করার  জন্য।সংবাদ পেয়ে মো.দিদার ও স্বজনেরা অনয়-বিনয় করে অনুরোধ করলে পুলিশ চলে যায়।মো.দিদারুল ইসলাম দাবী করেন গরীবের মেয়ে হিসাবে হুমাইরা জান্নাত কে বিবাহ করার সময় কোন ধরনের ফার্ণিচার ও কোন ধরনের যৌতুক ছাড়াই তাহাকে বিবাহ করা হয়েছে।ফার্ণিচার ক্রয় করার সময় টাকা প্রদানের রশিদ দিয়ে থাকেন ফার্ণিচার ব্যবসায়ীরা, রশিদ দেখাতে পারলে আইনগত যে কোন শাস্তি মেনে নিবেন। ১৬মাচ্র্ বকেয়া মোহরানা ও ইদ্দতকালীন খোরপোষ চেয়ে চকরিয়ায় বিজ্ঞ পারিবারিক জজ আদালতে আর একটি মামলা দায়ের করেছেন।. প্রতিবন্ধী অসুস্থ শিশুর পিতা দিদারুল ইসলাম ও শিশুর দাদা-দাদীসহ স্বজনেরা দেখভাল করে আসছে মিশুটিকে।শিশুটি অসুস্থতায় ভোগায় পিতা দিদারুল ইসলাম চকরিয়ার বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা করে উন্নত চিকিৎসার স্বার্থে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করেন। দিদার কক্সবাজার যবধষঃয পধৎফ নামক একটি বর্তি করেন।শিশুটির রোগের আবস্থার অবনতি দেখে পিতা দিদার অন্যত্রে নিয়ে আরো উন্নত চিকিৎসার জন্য শিশুটি কে ৮ জানুয়ারী বাড়ীতে নিয়ে আসেন।তিনি আরো জানান প্রতিবন্ধী শিশুটির পূব্র্ নাম মুস্তাহিন,পিতা-মাতার সংশোধিত নাম মোক্তাধীন।বর্ত্মানে বাচ্চাটির আবস্থার রোগের  অবনতির খবর পেয়ে হুমকি দিচ্চেন বাচ্চার কোন দূঘর্টনা ঘটলে মামলায় জড়িয়ে হয়রানী করবে।

, বিভাগের সংবাদ।

নিউজ ডেস্ক, চকরিয়া২৪।