মহেশখালীতে সন্ত্রাসীদের চাইনিজ কুঁড়ালের এলোপাতাড়ি কুঁপে, আহত-১

45324675_2201679256757915_3454913225236152320_n

ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি: কক্সবাজার জেলার মহেশখালীতে সন্ত্রাসীরা এক যুবককে চাইনিজ কুঁড়াল দিয়ে এলোপাতাড়ি কুঁপিয়ে মারাত্মক আহত করেছে। আশংকাজনক অবস্থায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত যুবক উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের মারক্কাঘোনা গ্রামের বাসিন্দা মোক্তার আহামদের পুত্র মোজাম্মেল হক (৩৫)। এ ঘটনাটি ঘটেছে গত ৪ নভেম্বর সকাল ৯টায়। প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসীরা জানান, কালারমারছড়া ইউনিয়নের পশ্চিম মারক্কাঘোনায় বাড়ীর সীমানাকে কেন্দ্র করে মোক্তার আহামদের পুত্র সোনামিয়া গংদের সাথে একই এলাকার গোলাম রহমানের পুত্র আবদুল গনির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এ বিরোধের জের ধরে কয়েক বার দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এমনকি আবদুল গনি গংদের বার বার হামলায় অতিষ্ট হয়ে সোনামিয়ার ভাই ফরিদ ও মোজাম্মেল এলাকা ত্যাগ করে উক্ত ইউনিয়নের উত্তর নলবিলায় গিয়ে বসবাস শুরু করে। এ অবস্থায় একা পেয়ে পর পর দু’বার সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে সোনামিয়ার ঘরে থাকা বিভিন্ন মালা-মাল লুঠপাট করে নিয়ে যায়। এ নিয়ে এলাকায় দিন দিন দু’পক্ষের লোকজন মারমূখী হলে এলাকাবাসীর আপত্তির মুখে সাংসদ আলহাজ¦ আশেক উল্লাহ রফিক দু’পক্ষকে কয়েক দিন পূর্বে ডেকে নিয়ে ঘটনা না করার জন্য নির্দেশ দেন এবং তা অচিরে সমাধানের জন্য এলাকায় যাবেন বলে ও প্রতিশ্রুতি দেন। নির্দেশ পেয়ে বাড়ীতে উভয়পক্ষ আসার পরেরদিন ৪ নভেম্বর নিজের জন্ম স্থান পশ্চিম মারক্কাঘোনায় সোনামিয়ার ভাই মোজাম্মেল হক (৩৫) এক আত্মীয়ের পান বরজে কাজ করতে যায়। এ সংবাদ পেয়ে আবদুল গনি তার অপর সহযোগী জয়নাল, হানিফ, আবু আহামদ ও হারুন সহ ১০/১২ জন সন্ত্রাসী নিয়ে তাকে ঘিরে ফেলে চাইনিজ কুঁড়াল দিয়ে এলোপাতাড়ি কোঁপাতে থাকে। এতে মৃত্যু নিশ্চিত ভেবে সন্ত্রাসীরা বীরদর্পে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। পরে মুমুর্ষ অবস্থায় আত্মীয় স্বজনরা তাকে প্রথমে মহেশখালী হাসপাতালে ভর্তি করে। তার অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। সেখান থেকে তার ভাই ফরিদ টেলিফোনে জানান, তার ভাই মোজাম্মেলের একটি পা কেটে ফেলার জন্য ডাক্তাররা আমাদেরকে পরামর্শ দিয়েছেন। এ নিয়ে পুরো কালারমারছড়ায় চলছে টান টান উত্তেজনা। এ প্রসংঙ্গে কালারমারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির আইসি শাহ্জান থেকে জানতে চাইলে তিনি জানান,উক্ত বিষয় মিমাংসার জন্য শীর্ষ স্থানীয় দলীয় নেতাদের কথা থাকায় আমি এ ব্যাপারে কোন ধরণের মন্তব্য করতে রাজি নয়। তা ছাড়া ঘটনা হবার পূর্বেই আমি মহেশখালী থানায় উপস্থিত ছিলাম বিধায় ঘটনাস্থলে এখনো আমি যেতে পারি নাই। তবে থানা থেকে যাওয়ার পর সংঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স নিয়ে আমি ঘটনাস্থলে যাব।

বিভাগের সংবাদ।

নিউজ ডেস্ক, চকরিয়া২৪।