সর্বশেষ শিরোনাম
১কেজি ধান বিক্রি করে কৃষক পায় ১২/১৩ টাকা!চকরিয়ায় ফেসবুকে সম্মানহানির স্ট্যাটাসসংবাদ সম্মেলনে ভূক্তভোগীর প্রতিকার দাবীচকরিয়ায় লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়েবিদ্যুত কার্যালয়ে মুসল্লীদের হামলাচকরিয়া ছাত্র কল্যাণ ফোরামের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিতচট্টগ্রামস্থ চকরিয়া সমিতিরইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিতচকরিয়া মডেল ফারিয়া’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্নখুটাখালী ইউনিয়ন জামায়াতের ইফতার মাহফিল চকরিয়ার চিরিংগা বাস ষ্টেশন মসজিদে দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে আয়-ব্যয়ের হিসাব নেই,মুসল্লীদের ক্ষোভদায়িত্ব পালনে চকরিয়ার সকল মসজিদ-মাদরাসারউন্নয়ন ও আলেম সমাজের মর্যাদা রক্ষায় কাজ করবো- সাঈদীচকরিয়ায় মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ফারুক আহমদ চৌধুরীর ৫ম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত

ভুমি অধিগ্রহণ অফিসে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান, ৪ দালাল আটক

[post-views]

received_645821769202413

কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের ভুমি অধিগ্রহণ (এলএও) শাখায় টাউট-বাটপারির মাধ্যমে সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ৪ দালালকে আটক করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসন ভবনের তিন তলার এলএও শাখায় অভিযান চালিয়ে এসব দালালকে আটক করা হয়। আটক দালালগন সবাই কক্সবাজারের মহেশখালী দ্বীপের বাসিন্দা। তাদের ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ২ জনকে ১০ দিন ও অপর ২ জনকে ২০ দিনের কারাদন্ডাদেশ দিয়ে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসন সুত্রে জানা গেছে, আটক হয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রদল নেতা খোরশেদ আলমও। খোরশেদ আলম মহেশখালী দ্বীপের কালারমারছড়া ইউনিয়নের মারকাঘোনা গ্রামের মৃত নজির আহমদের পুত্র। আটক অপর তিন দালাল হচ্ছেন মহেশখালীর মাতারবাড়ী ইউনিয়নের মাইজপাড়া গ্রামের মৃত জাবের আহমদের পুত্র মোহাম্মদ কাইউম, হোয়ানকের হরিয়াপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ সব্বিরের পুত্র মোহাম্মদ ইব্রাহিম ও দ্বীপের কালারমারছড়ার নোনাছড়ি গ্রামের মকবুল আহমদের পুত্র রকি উল্লাহ রকি।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ আশরাফুল আফসার জানান-‘বেশ কিছুদিন ধরেই জেলা প্রশাসনের এলএও শাখায় দালালদের উৎপাতে সরকারি কর্মচারি ও কর্মকর্তাদের স্বাভাবিক কাজ-কর্ম ব্যাহত হচ্ছিল। এসব দালালগন সার্ভেয়ার ও কানুনগোর টেবিল ঘিরে ধরে কাজে বাঁধা প্রদান করে থাকে।’ তিনি বলেন, এর আগে জেলা প্রশাসনের তরফে দালালদের তালিকা প্রণয়ন করে টাঙ্গিয়ে দেওয়া হয়েছিল। টাঙ্গানো তালিকায়ও আটক হওয়া সাবেক ছাত্রদল নেতা খোরশেদ আলম সহ অন্যান্যের নাম রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব দালালরা দালালির আড়ালে সরকারের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করার উদ্দেশ্যে নানা মিথ্যা তথ্যও বাইরে সরবরাহ করে আসছে। সেই সাথে দালালরা উন্নয়ন প্রকল্পের জমির মালিকদের মাঝে নানা বিভ্রান্তিকর ও উস্কানিমূলক তথ্য ছড়িয়ে আন্দোলনে নামার ক্ষেত্রও প্রস্তুত করে দিত।
তিনি জানান, কক্সবাজারে ১২ টি মেগা প্রকল্প সহ বর্তমানে ৭০ টি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ চলছে। এসব প্রকল্পের ভুমি অধিগ্রহণের কাজে কর্মকর্তারা রাত-দিন কাজ করে যাচ্ছেন। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যার পরেও এলএও শাখায় যখন কর্মকর্তা-কর্মচারিরা কাজ করছিলেন তখনও দালালরা গিজ গিজ করছিলেন। এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পুলিশ ও আনসারের সহযোগিতায় তাৎক্ষনিক অভিযান চালিয়ে সরকারি অফিসে কর্মচারিদের কাজে বাঁধা প্রদান কালে তাদের আটক করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কালারমারছড়া সোনারপাড়ার মৃত জাফর আহমদ এর পুত্র মোহাম্মদ হোছাইন (ড্রাইভার)সহ অভিযানকালে ভদ্রবেশী পেশাজীবিদেরও বেশ কয়েকজন পালিয়ে রক্ষা পান।

বিভাগের সংবাদ।

নিউজ ডেস্ক, চকরিয়া২৪।