সর্বশেষ শিরোনাম
১কেজি ধান বিক্রি করে কৃষক পায় ১২/১৩ টাকা!চকরিয়ায় ফেসবুকে সম্মানহানির স্ট্যাটাসসংবাদ সম্মেলনে ভূক্তভোগীর প্রতিকার দাবীচকরিয়ায় লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়েবিদ্যুত কার্যালয়ে মুসল্লীদের হামলাচকরিয়া ছাত্র কল্যাণ ফোরামের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিতচট্টগ্রামস্থ চকরিয়া সমিতিরইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিতচকরিয়া মডেল ফারিয়া’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্নখুটাখালী ইউনিয়ন জামায়াতের ইফতার মাহফিল চকরিয়ার চিরিংগা বাস ষ্টেশন মসজিদে দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে আয়-ব্যয়ের হিসাব নেই,মুসল্লীদের ক্ষোভদায়িত্ব পালনে চকরিয়ার সকল মসজিদ-মাদরাসারউন্নয়ন ও আলেম সমাজের মর্যাদা রক্ষায় কাজ করবো- সাঈদীচকরিয়ায় মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ফারুক আহমদ চৌধুরীর ৫ম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত

শিক্ষিকা স্ত্রীকে বদলি করায় বিদ্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দিলেন স্বামী” শীর্ষক সংবাদের নিন্দা ও প্রতিবাদ

[post-views]

Protibad_1

গত ১০ এপ্রিল চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত দৈনিক সূপ্রভাত বাংলাদেশ, কক্সবাজার থেকে প্রকাশিত দৈনিক কক্সবাজার, বাকঁখালী, রূপলী সৈকত, সাগর দেশ সহ বিভিন্ন পত্রিকা ও অনলাইনে “শিক্ষিকা স্ত্রীকে বদলি করায় বিদ্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দিলেন স্বামী” শীর্ষক প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে। সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট, উদ্দেশ্য প্রনোদিত ও মানহানিকর। সংবাদের সাথে বাস্তবতার কোন মিলনাই। মূল বিষয় হলো, মাননীয় প্রধান মন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেতী শেখ হাসিনার ঘোষণা মতে ২০০৮ সালে শিক্ষা বঞ্চিত এলাকায় শিক্ষার আলো ছড়াতে ঢেমুশিয়া মোছারপাড়া এলাকার মরহুম হেদায়ত আলীর পুত্র ও বঙ্গবন্ধুর আর্দশের নিবেদিত প্রাণ আমিনুল মোস্তফা ২০০৯ সালে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন। আমিনুল মোস্তফার সহধর্মীনি আরেফা বেগম এই উদ্যোগকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য স্বামীর পিতার দানকৃত ৩৫ শতক নাল জমি থেকে ৩০শতক জমি যৌথভাবে দান করেন। যা তৎকালীন জেলা শিক্ষা অফিসার (উচঙ) মোহাম্মদ নুরুজ্জমান স্বাক্ষরিত প্রাথমিক অনুমতি পত্রে ১ নং দাতা আমিনুল মোস্তফা ও ২ নং দাতা আরেফা বেগম। বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সরকারি করণ পর্যন্ত আমিনুল মোস্তফার স্বাক্ষরেই বিদ্যালয়টি পরিচালিত হয়। প্রতিষ্ঠাতা ও দাতা হিসেবে যথেষ্ট কাগজপত্র রয়েছে। যদিও প্রকাশিত সংবাদে আমিনুল মোস্তফা রেকর্ড পত্রে কেউ নন বলে উল্লেখ করেন।
বিদ্যালয়ের স্লীপের টাকা আত্মসাত, অবৈধ পরিচালনা কমিটির অনুমোদন, অবৈধ ভাবে টাকা উত্তোলনসহ নানা বিষয়ে অনিয়মের কারণে তালা ঝুলিয়ে দেয়। আমিনুল মোস্তফা প্রতিনিয়ত আবু জাফর, গিয়াস উদ্দিন, নুরুল আবছার ও উপজেলা শিক্ষা অফিসার গুলশান আরার সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ করেও প্রতিকার বের করতে পারি নাই। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির বিধিমতে ২.১৭ এ বিগত ২০১৮ সালে ১০ই এপ্রিল তৈয়বা আফরোজা নির্বাচনী রির্টানিং কর্মকর্তা আবু জাফরের কর্তব্যে অবহেলার কারণে ওই অবৈধ কমিটি ঘোষণা করা হয়। বিধিমোতাবেক জামাল হোছাইন অত্র প্রতিষ্ঠানের বৈধ সভাপতি। প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষিকা আরেফা বেগম গত ৩১/১২/২০১৭ ইং পিটিআই কক্সবাজারে যোগদান করেন যা আগামী জুন ২০১৯ পর্যন্ত চলবে। প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষিকা আরেফা বেগম গত ৩০ মার্চ বিকেল ৪টায় বিদ্যালয়ের সামনে অপ্রীতিকর হামলার ঘটনার শিকার হয়ে প্রথমে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সর্বশেষ শারিরীক অবস্থার অবনতি হলে তাকে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাঃ শোভন দত্ত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিউরোলজি সার্জারী ওয়ার্ডে প্রেরণ করেন এবং ১৫ দিনের বিশ্রামের পরামর্শ দেন। উপ-পরিচালক চট্টগ্রাম মহোদয় জনাব সোলতান মিয়ার সাথে (১০ এপ্রিল ১৯) স্বাক্ষাৎ করতে গেলে অভিযুক্ত শিক্ষক নেজাম উদ্দিনসহ উপস্তিত ছিলেন। তিনি বিষয়টি জেনে চকরিয়া উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে মুঠো ফোনের মাধ্যমে বৈঠকে তারিখ নির্ধারিত করেন। সৃষ্ট পরিস্থিতি নিয়ে আগামী ১৫ এপ্রিল বিকেল ৫টার সময় অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষা অফিসার আবু জাফরসহ চট্টগ্রাম অফিসে হাজির থাকার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন। তাই প্রকাশিত উক্ত মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদে প্রশাসন, শিক্ষা বিভাগ, এলাকাবাসীসহ সংশ্লিষ্ট কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য আহবান জানাচ্ছি এবং সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন করছি।
প্রতিবাদকারী-
আমিনুল মোস্তফা (প্রতিষ্ঠাতা ও জমিদাতা) পিতা মরহুম হেদায়ত আলী
আরেফা বেগম (শিক্ষিকা ও জমিদাতা) স্বামী- আমিনুল মোস্তফা
ঢেমুশিয়া মোছারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঢেমুশিয়া,চকরিয়া,কক্সবাজার।

বিভাগের সংবাদ।

নিউজ ডেস্ক, চকরিয়া২৪।