সর্বশেষ শিরোনাম
একজন সেবক হতে চাইসম্মিলিত প্রয়াসে ‘স্বপ্নের চকরিয়া’ গড়বো ইনশাল্লাহ-সাঈদীচকরিয়ায় পিকআপ মিনিট্রাক শ্রমিক ইউনিয়ন অফিসে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ায় ক্ষুদ্ধ শ্রমিকরালক্ষ্যারচর ইউনিয়ন ও কৈয়ারবিল ১ ও ২নং ওয়ার্ড বর্ধিত সভায় সরওয়ার আলমচকরিয়ায় প্রধান শিক্ষকের অপসারণ দাবিতে শিক্ষার্থীদের স্কুলে তালা : ক্লাস বর্জনচকরিয়ায় শিশুকে ককটেল বাজি নিক্ষেপকরে ঝলসে দেয়াসহ ২ দফা হামলার ঘটনায় মামলাচকরিয়ায় অভিমান করে বিষপানে১ সন্তানের জনকের আত্মহত্যাচকরিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের উপজেলা প্রশাসনের সহায়তাচকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলা পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান-ভাইস চেয়ারম্যানের শপথ গ্রহণচকরিয়ায় পাওনা টাকা চাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে বিদেশগামী যুবকের বাড়িতে হামলা ও ভাংচুর, আহত ৬চকরিয়ায় স্বচ্ছ, জবাবদিহিতা মূলক ও নাগরিক বান্ধব ইউপি গঠনে চেয়ারম্যানদের অংশগ্রহণে মতবিনিময় সভা

[post-views]

211409_1

ঢাকা: ফেনীর সোনাগাজীতে মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফির শরীরে আগুন দেওয়ার অভিযোগে আরো দুই ‘মূল সন্দেহভাজন’ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, সোনাগাজী পৌরসভার কাউন্সিলর ও পৌর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মকসুদ আলম এবং নূর উদ্দিন। এরা দুইজনই অধ্যক্ষ সিরাজের ঘনিষ্ঠ সহযোগী।

শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ময়মনসিংহের ভালুকা থেকে নূর উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে ফেনীর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক শাহ আলম জানিয়েছেন।

নুসরাতের শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এ এস এম সিরাজ উদ দৌলা মুক্তি পরিষদের আহ্বায়ক নুর উদ্দিন। তিনি চরচান্দিয়া গ্রামের বাসিন্দা। নুসরাত হত্যা মামলার এজাহারে তিনি দুই নম্বর আসামি।

অন্যদিকে মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান হত্যা মামলার অন্যতম আসামি সোনাগাজী পৌরসভার কাউন্সিলর ও পৌর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মকসুদ আলমকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পিবিআই।

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মনিরুজ্জামান শুক্রবার সকালে বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সহায়তায় কাউন্সিলর মকসুদকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

নুসরাত এবার সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা থেকে আলিম (এইচএসসি সমমান) পরীক্ষা দিচ্ছিলেন। তিনি সোনাগাজীর উত্তর চরচান্দিয়া গ্রামের মাওলানা এস এম মুসার মেয়ে। তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে নুসরাত তৃতীয়। গত ৬ এপ্রিল শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মাদ্রাসা ভবনের ছাদে দুর্বৃত্তরা তার গায়ে আগুন দেয়। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ফেনী সদর হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়। শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে যাওয়া নুসরাত বুধবার রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতলের বার্ন ইউনিটে মারা যান।

এর আগে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এস এম সিরাজ উদ দৌলা গত ২৭ মার্চ নুসরাত জাহানের শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। নুসরাত বিষয়টি বাসায় জানালে তার মা সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। ওই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে সোনাগাজী থানা পুলিশ অধ্যক্ষকে গ্রেপ্তার করে।

এদিকে নুসরাত হত্যা পূর্বপরিকল্পিত, কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসন সঠিক পদক্ষেপ নিলে এ ঘটনা ঘটত না বলে জানিয়েছে মানবাধিকার কমিশনের তদন্ত দল।

শুক্রবার সকালে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের একটি প্রতিনিধিদল ফেনীর সোনাগাজীর নুসরাতের মাদ্রাসায় সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলার পর সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানিয়েছে।

বিভাগের সংবাদ।

নিউজ ডেস্ক, চকরিয়া২৪।