সর্বশেষ শিরোনাম
১কেজি ধান বিক্রি করে কৃষক পায় ১২/১৩ টাকা!চকরিয়ায় ফেসবুকে সম্মানহানির স্ট্যাটাসসংবাদ সম্মেলনে ভূক্তভোগীর প্রতিকার দাবীচকরিয়ায় লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়েবিদ্যুত কার্যালয়ে মুসল্লীদের হামলাচকরিয়া ছাত্র কল্যাণ ফোরামের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিতচট্টগ্রামস্থ চকরিয়া সমিতিরইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিতচকরিয়া মডেল ফারিয়া’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্নখুটাখালী ইউনিয়ন জামায়াতের ইফতার মাহফিল চকরিয়ার চিরিংগা বাস ষ্টেশন মসজিদে দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে আয়-ব্যয়ের হিসাব নেই,মুসল্লীদের ক্ষোভদায়িত্ব পালনে চকরিয়ার সকল মসজিদ-মাদরাসারউন্নয়ন ও আলেম সমাজের মর্যাদা রক্ষায় কাজ করবো- সাঈদীচকরিয়ায় মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ফারুক আহমদ চৌধুরীর ৫ম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত

চকরিয়ায় সরকারি বদ্ধজলমহালে হামলামাছ জাল নৌকা ছাগলসহ মালামাল লুট

[post-views]

চকরিয়া প্রতিনিধি
চকরিয়া উপজেলার রামপুর মৌজায় উদয়ন মৎস্যজীবি সমিতি কর্তক প্রশাসন থেকে ইজারা নেয়া ইছাছড়ি খাল নামের একটি বদ্ধজলমহালে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। রোববার ইফতারের পর সন্ধ্যার দিকে ১৫-২০জনের অস্ত্রধারী ওই জলমহালে হানা দিয়ে কর্মচারীদের জিন্মি করে প্রথমে মাছের পোনা নষ্ট করে দেন। পরে লুটতরাজ চালিয়ে অন্তত ৫ লাখ টাকার মাছ, জাল, নৌকা ও পালিত ছাগলসহ মালামাল লুট করেছে।
অভিযোগে উদয়ন মৎস্যজীবি সমিতির সভাপতি ছরওয়ার ওসমান জানান, সরকারি নীতিমালার চকরিয়া উপজেলার রামপুর মৌজার ইছাছড়ি খাল নামের বদ্ধজলমহালটি (অনুদ্ধ ২০ একর) স্থানীয় প্রশাসন থেকে ইজারা নিয়ে সমিতির সংশ্লিষ্টরা রক্ষনাবেক্ষন করে আসছেন। প্রায় ১৫বছর ধরে তাঁরা জলমহালটি রক্ষনাবেক্ষনে ইতোমধ্যে ৬-৭ লাখ টাকার মাছের পোনা ছেঁেড়ছেন। নতুন করে সেখানে আড়াই লাখ টাকা খরচে কাটি নির্মাণ, দেড়লাখ টাকা খরচে পলবোট স্থাপন ও একটি খামারঘর তৈরী করেছেন।
সমিতির সভাপতি ছরওয়ার ওসমান অভিযোগ করেছেন, সম্প্রতি সময়ে নতুন একটি সমিতি জলমহালটি ইজারা নিয়েছে দাবি করে কিছুদিন ধরে তাদেরকে (ভুক্তভোগী উদয়ন সমিতি) জলমহাল থেকে উচ্ছেদে নানাভাবে হুমকি দিয়ে আসছিলেন। সর্বশেষ রোববার ইফতারের পর সন্ধ্যার দিকে ১৫-২০জনের অস্ত্রধারী ওই জলমহালে হানা দিয়ে কর্মচারীদের জিন্মি করে প্রথমে মাছের পোনা নষ্ট করে দেন। পরে লুটতরাজ চালিয়ে জলমহাল থেকে তিনটি জাল, একটি সৌর বিদ্যতের সোলার, তিনটি জাঁিক জাল ও একটি নৌকা এবং মাছসহ অন্তত ৪ লাখ টাকার মালামাল লুট করেছে।
হামলার সময় জলমহালের পাশের ২৫০ নম্বর প্লটের চিংড়িঘের হামলা চালিয়ে সেখান থেকেও পাঁচটি পালিত ছাগল ও মাছসহ লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুটে নিয়ে গেছে বলে দাবি করেছেন ঘেরটির চুক্তিমুলে মালিক চকরিয়া পৌরসভার করাইয়াঘোনা এলাকার এমরান হোসেন।
উদয়ন মৎস্যজীবি সমিতির সভাপতি ছরওয়ার ওসমান দাবি করেন, জলমহালে হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় চকরিয়া পৌরসভার করাইয়াঘোনা এলাকার হাজি আবদুর ছবুর, আবদুল মোনাফ ওরফে মোনাফ মৌলভী ও তাঁর জয়নাল আবেদিনের নির্দেশ রয়েছে। মুলত তাঁরা আমাদেরকে জলমহাল থেকে উচ্ছেদ করতে হুমকি দিয়ে আসছে।
আক্রান্ত উদয়ন মৎস্যজীবি সমিতির সভাপতি ছরওয়ার ওসমান ও পাশের ঘের মালিক এমরান হোসেন বলেন, ঘটনাটি গতকাল সোমবার দুপুরে চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ ফজলুল করিম সাঈদীকে জানানো হয়েছে। তিনি বিষয়ের আলোকে চকরিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ করার জন্য পরার্মশ দিয়েছেন। এখন আমরা থানার আশ্রয় নেব

বিভাগের সংবাদ।

নিউজ ডেস্ক, চকরিয়া২৪।