সর্বশেষ শিরোনাম
কক্সবাজার এলও শাখায় ৫ দালাল আটক ও কয়েকজন পলাতকনোটারী মূলে ও কলেমা পড়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ, নোটারী ও রেজিষ্ট্রি মূলে কামাল-কাসফিয়া’র বিয়েআল-রাজি চক্ষু হাসপাতালচকরিয়া হাফেজ রুহুল আমিন হত্যায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবীতে মানববন্ধনবদরখালী ১নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের তথা কথিত কমিটি প্রত্যাখান করে কাউন্সিলের মাধ্যমে কমিটি গঠনের দাবীচকরিয়ার বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠানচকরিয়ার বদরখালীতে এক ইয়াবা ব্যবসায়ীর অত্যাচারে অতিষ্ট এলাকাবাসীচকরিয়ার বরইতলীতে চৌকিদার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা এমপি’রচকরিয়ায় মেসার্স আকিফ পর্দা বিতান ও নিউ চকরিয়া আনোয়ার বেডিং ষ্টোর শোরুম উদ্বোধনব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত চকরিয়া পৌরসভার স্টাফ রকিব হাসানকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন

দুই মামলায় জি কে শামীম ১০ দিনের রিমান্ডে

[post-views]

shamim

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

অস্ত্র ও মাদক মামলায় যুবলীগ নেতা এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মোট ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। এই সঙ্গে তার সাত দেহরক্ষীর প্রত্যেককে অস্ত্র মামলায় চারদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।

শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে ঢাকার সিএমএম আদালতের বিচারক মাহমুদা আক্তার এ শুনানি শেষে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ড পাওয়া অন্যরা হলেন- দেলোয়ার হোসেন, মুরাদ হোসেন, জাহিদুল ইসলাম, শহীদুল ইসলাম, কামাল হোসেন, সামসাদ হোসেন এবং আমিনুল ইসলাম। তারা সবাই জি কে শামীমের দেহরক্ষী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

এর আগে সন্ধ্যায় আদালতে হাজির করে দুই মামলায় সাতদিন করে শামীমকে মোট ১৪ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম। এ সময় তার সাত দেহরক্ষীও ছিলেন।

তবে শুনানি নিয়ে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদা আক্তার মাদক ও অস্ত্র মামলায় ৫ দিন করে মোট ১০দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আর অস্ত্র মামলায় শামীমের দেহরক্ষী সাতজনের প্রত্যেককে ৪দিন করে রিমান্ড দেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলার শুনানি করেন বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর আজাদ রহমান। তিনি বলেন, দুই মামলার রিমান্ড কার্যকর হবে আলাদাভাবে। অর্থাৎ একটা মামলার রিমান্ড শেষ হওয়ার পর আরেকটি শুরু হবে।

এদিকে জানা যায়, জি কে শামীমের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় হওয়া মানিলন্ডারিং আইনের মামলাটি তদন্ত করবে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তাই ওই মামলায় তাকে এখনও গ্রেফতার করা হয়নি।

শনিবার বিকেলে জি কে শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীকে রাজধানীর গুলশান থানায় হস্তান্তর করে র‌্যাব। পরে গুলশান বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) আব্দুল আহাদ বাংলানিউজকে জানান, গুলশান থানায় জি কে শামীমের বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও মানিলন্ডারিংয়ে তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে মাদক ও অস্ত্র মামলায়।

শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর নিকেতনে ৫ নম্বর সড়কের ১৪৪ নম্বর ভবনে শামীমের কার্যালয় ঘিরে অভিযান চালায় র‌্যাব।

কার্যালয়ের ভেতর থেকে বিদেশি মুদ্রা, মদ, একটি আগ্নেয়াস্ত্র, মাদক, নগদ অর্থ, ২০০ কোটি টাকার এফডিআর চেক উদ্ধার করা হয়। আটক করা হয় দেহরক্ষী সাতজনকেও।

অভিযানের পর র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম বলেন, শামীমের অস্ত্রের লাইসেন্স থাকলেও অবৈধ ব্যবহারের অভিযোগ ছিল। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়েছে। এখানে তার মায়ের ও তার নামে বিপুল পরিমাণ এফডিআর পাওয়া গেছে। তার অস্ত্রের লাইসেন্স থাকলেও অবৈধ ব্যবহারের অভিযোগ ছিলো।

বিভাগের সংবাদ।

নিউজ ডেস্ক, চকরিয়া২৪।